Happy joks

Happy  joks হাসি আনন্দে থাকতে চান তাহলে ভিজিট করু

01/06/2022

জৈনেক স্বামী-স্ত্রীর বিশেষ কমেডি গল্পঃ

এক ভদ্র মহিলা কেনাকাটা শেষ করে ক্যাশ কাউন্টারের সামনে পেমেন্ট দেয়ার জন্য ব্যাগ খুলতেই ক্যাশিয়ারের নজরে এলো তার ব্যাগে একটি টিভি রিমোট।
ক্যাশিয়ারঃ (কৌতুহলবশত, জানতে চাইলেন) ম্যাডাম ব্যাগে টিভি রিমোট কি সব সময় থাকে?
মহিলাঃ না, মাঝে মধ্যে থাকে। আজ আমার হাজব্যান্ড আইপিএল ফাইনাল দেখবে বলে আমার সাথে শপিংয়ে এলোনা। তাই জব্দ করতে টিভি রিমোটটা ব্যাগে করে নিয়ে এসেছি।
শিক্ষাঃ
(১) বউ এর তুচ্ছ বিষয়েও তাচ্ছিল্য করলে বিপদ।
ক্যাশিয়ারঃ (হাসতে হাসতে) ভদ্র মহিলার এটিএম কার্ডটি ফেরত দিতেই-
মহিলাঃ এটা কি হলো?
ক্যাশিয়ারঃ আপনার স্বামী ওনার সাপ্লিমেন্টারি কার্ডটি সম্ভবত ব্লক করে দিয়েছেন।
শিক্ষাঃ
(২) স্বামীর শখও স্ত্রীর নিকট সম্মানযোগ্য।
মহিলাঃ ব্যাগ থেকে এবার স্বামীর এটিএম কার্ডটি বের করে সোয়াইপ করলেন।
শিক্ষাঃ
(৩) বৌ-এর লম্বা হাতের সঠিক ধারণা থাকা দরকার।
ক্যাশিয়ারঃ ভদ্র মহিলাকে বললেন, সোয়াইপ মেশিন থেকে আপনার মোবাইলে একটা পিন নম্বর পাঠানো হয়েছে। সেটি বলুন?
শিক্ষাঃ
(৪) বেচারা স্বামীকে বাঁচাতে মেশিনও চেষ্টা করে।
মহিলাঃ (মুচকি হেসে) ব্যাগ থেকে স্বামীর মোবাইল ফোনটা বের করলেন এবং পিন নম্বরটা ক্যাশিয়ারকে জানালেন। (বিঃ দ্রঃ স্বামীর মোবাইল ফোনটি তিনি সঙ্গে এনেছিল যাতে শপিংয়ের সময় স্বামী ফোনে বিরক্ত করতে না পারে।)
শিক্ষাঃ
(৫) স্মার্ট ও ভদ্র মহিলাদের সাথে টক্কর নিও না।
অবশেষে, সব কেনাকাটা সেরে তৃপ্ত মনে ভদ্রমহিলা ঘরে ফিরলেন।
বাড়ি ফিরে মহিলা দেখলেন, গ্যারেজে স্বামীর গাড়ি নেই।
ঘরের দরজায় স্টিকারে লেখা-
"বন্ধুর বাড়ি আইপিএল ফাইনাল খেলা দেখতে গেলাম। ফিরতে অনেক রাত হতে পারে। আর হ্যাঁ, কোন দরকার থাকলে মোবাইলে ফোন করো।"
স্টিকারে লেখা পড়ে-
হতাশ হয়ে ভদ্রমহিলা ঘরের দরজার সামনে বসে পড়লেন। কারণ-
বাড়ির চাবিটা স্বামীর কাছে! আর-
স্বামীর মোবাইল ফোনটা ভদ্র মহিলার কাছে!
শেষ শিক্ষাঃ
স্বামীর ওপর বেশি প্যাঁচ কষলে শেষ পর্যন্ত স্ত্রীকেও এর ফল ভোগ করতে হয়।
(সংগৃহীত)

28/05/2022

একদিন রাতের বেলা মন্টু আর ঝন্টু মিলে অনেকগুলো আম চুরি করছে। কিন্তু এতগুলা আম কোথায় ভাগাভাগি করবে বুঝতে পারতেছিল না।
তাই সামনেই একটা কবরস্থান ছিল। তারা দেওয়াল টপকে কবরস্থানের ভিতর ঢুকে পড়লো।
কিন্তু দেওয়াল পার হওয়ার সময় দুইটা আম ঝাঁকি খেয়ে পড়ে গেলো, তারা সেটা তোলার সময় পেলোনা।
তো এক মাতাল সেই রাস্তা দিয়া যাইতেছিল, কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শুনতেছে
"এটা তোর, এটা আমার, এটা তোর, এটা আমার!"
এই শুনে মাতাল দ্রুত হাঁটা দিল। সামনেই এক পুলিশের সাথে দেখা পেয়ে বলতেসে-
"ভাই, কবরস্থানে ভূত আছে। লাশ ভাগাভাগি করতাসে। আরেকটু হইলে আমারেও খাইছিলো।
অনেক কষ্টে বাঁইচা আসছি।"
পুলিশ বললো, "চলেন দেখি, কোথায় ভূত কোথায় কি!"
দুইজনেই কবরস্থানের কাছে পৌছালো,
ভিতর থেকে চাপা আওয়াজ আসতেছে--
"এটা তোর, এটা আমার, এটা তোর, এটা আমার"
পুলিশ তো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে।
হঠাৎ মন্টু বলে উঠলো,
"তাইলে দেওয়ালের ওই পাশের দুইডারে কি করবি?"
এই কথা শুইনা পুলিশ ও মাতাল ওখানেই অজ্ঞান হইয়া পড়লো...

27/05/2022

একবার টারজান গাছের ডালে ঝুলে ঝুলে যাচ্ছিলো।
হটাৎ তার লেংটি একটা ডালে বেধে খুলে গেল। তাই দেখে বনের সব প্রাণীরা হাসতে লাগলো ।
তখন টারজান বানরকে বলল:- হাসছো কেন….?
বানর বলল:- "আমার জীবনে এই প্রথম কোন প্রাণী দেখলাম যার সামনে লেজ আছে।"

25/05/2022

পুরো গল্পটি পড়ে হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গেলে আমি
দায়ী নয়.........!!!!
এক জন বিরাট ধনী তার বাগান- বাড়ির পেছনের পুকুরে কুমির পুষতেন। একদিন তিনি তার বাড়িতে বিশাল এক পার্টি দিলেন। নানান জায়গা থেকে বহু লোক এলো সেই পার্টিতে। প্রচুর মদ্যপান আর খাওয়া দাওয়ার পরে পুরাতন কালের মহারাজদের স্টাইলে ধনী লোকটি ঘোষণা করলেন:-
যে ব্যক্তি সাহস করে কুমির ভর্তি পুকুরটি সাঁতরে পার হতে পারবে । তাকে তিনি হয় এক কোটি টাকা দেবেন, না হয় তিনি তার কাছে তার সুন্দরী কন্যাকে সমর্পণ করবেন।
কথাটি শেষ না হতেই ঝপাং করে একটি শব্দ।

দেখা গেল এক জন লোক প্রান পণে সাঁতরাচ্ছে আর তার পিছনে তিনটা কুমির তাড়া করছে। সবাই পাড় থেকে লোকটাকে অজস্র উৎসাহ জুগিয়ে চললো। লোকটা অবশ্য ভালই সাঁতার কাটে তার উপর প্রাণের মায়া। কোন মতে হাঁপাতে হাঁপাতে অক্ষত অবস্থায় অন্য পাড়ে গিয়ে উঠলো।

ধনী লোকটি এগিয়ে এসে লোকটির হাত ধরে বললেন :-
আমি বিশ্বাস করতে পারিনি, এত সাহস দেখানোর মত ক্ষমতা কারও থাকতে পারে। আমি অভিভূত তোমার সাহসীকতায়।
তো ইয়ং ম্যান তুমি কি চাও?
আমার কন্যা, -নাকি এক কোটি টাকা?
লোকটি তখনও হাঁপাচ্ছে। হাঁপাতে হাঁপাতে বললো,
আমি আপনার কন্যাকেও চাইনা,আপনার এক কোটি টাকাও পেতে চাই না।
আমি শুধু জানতে চাই-
"কোন শালায় আমারে ধাক্কা মারছে...."

22/04/2022

বল্টু প্রতিদিন ভগবানের উদ্দ্যেশে একটা করে চিঠি লিখতো আর চিঠিটি বেলুনে বেধে আকাশে উড়িয়ে দিতো।
চিঠিতে লিখত, হে ভগবান,আমাকে ১ লক্ষ টাকা দাও।
বল্টুর বাড়ির পাশেই ছিল থানা, চিঠিসহ বেলুন উড়ে গিয়ে পড়ত থানায়। থানার পুলিশরা প্রতিদিন বল্টুর চিঠি পড়ত। তারা ভাবলো- ছেলেটার মনে হয় টাকাটার খুব প্রয়োজন।
তাই তারা সকলে মিলে টাকা তুলতে লাগল। খুব চেষ্টা করে তারা ৫০ হাজার টাকা যোগাড় করে একজন পুলিশকে টাকাসহ পাঠাল বল্টুর কাছে।
তারপর পুলিশটি বল্টুকে টাকা ৫০ হাজার দিয়ে দিলো।
তার পরের দিন বল্টু আবার একটা চিঠি লিখে বেলুনসহ উড়িয়ে দিলো। তাতে যা লেখা ছিল,তা পড়ে সব পুলিশই
অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলো।
এখানে লেখা ছিল- হে ভগবান, টাকা টা যখন দিলেই, পুলিশকে দিয়ে পাঠালে কেনো? শালারা, অর্ধেক টাকা মেরে
দিয়ে বাকি অর্ধেক আমাকে দিয়েছে।।

17/03/2022

এক ছাত্র ক্লাসে বসে ঝিমুচ্ছিলো। তাই দেখে শিক্ষক বললো, 'এই-ছেলে, দাঁড়াও! এখন বলােতো আকবর কে ছিলেন?
ছাত্র : জানি না স্যার।
শিক্ষক : জানবে কীভাবে? ক্লাসের দিকে একটু মনোযােগ
দাও, জানতে পারবে।
ছাত্র : আচ্ছা স্যার, আপনি জানেন পলাশ কে?
শিক্ষক : না, কে উনি?
ছাত্র : স্যার, আপনার মেয়ের দিকে একটু মনোযােগ দিন তাহলে জানতে পারবেন...!

23/10/2021

বল্টুর বউ (কথাবলা পাখি কিনতে গিয়ে): আচ্ছা! এই পাখিটার কী দাম?
পাখি-বিক্রেতা: ৭০০ টাকা ।
বল্টুর বউ: এত দাম কেন?
পাখি-বিক্রেতা : এটা কথা বলতে পারে।
বল্টুর বউ: কম দামের কোন কথাবলা পাখি নেই?
পাখি-বিক্রেতা: হ্যাঁ! এই যে একসাইডে একটা রাখা আছে। ওটা নিয়ে যান, মাত্র ২০০ টাকা।
বল্টুর বউ: কথা বলতে পারে তো?
পাখি বিক্রেতা: আপনি যা খুশি জিজ্ঞেস করুন। ফটাফট বলে দেবে।
বল্টুর বউ পাখির সঙ্গে কথা বলে বেজায় খুশি। টাকাও মিটিয়ে দিল।
বল্টুর বউ: দাদা, একটা কথা জিজ্ঞেস করব? এই পাখিটা এত ভাল কথা বলে, তাও এর দাম অন্য পাখিদের চেয়ে কম কেন?
পাখি-বিক্রেতা: আসলে ম্যাডাম, এই পাখিটা একটা খারাপ চরিত্রের মেয়ের বাড়িতে ছিল। তাই একে কেউ কিনতে চায় না।
বল্টুর বউ: ও এই ব্যাপার! এতে আমার কোনও সমস্যা নেই।
এই বলে বল্টুর বউ পাখি নিয়ে বাড়ি ফিরল। সন্ধের সময় বল্টু কাজ থেকে ফিরতেই তার বউ খুশি মনে বল্টুকে পাখির কাছে নিয়ে গেল পরিচয় করানোর জন্য।
পাখিটা তখন বল্টুকে দেখে বলে উঠল, ‘‘কী রে বল্টু! তুই এই বাড়িতেও আসিস!’’
বাকিটা ইতিহাস!

05/11/2019

এক বাড়িতে চুরি হয়ে গেছে...
খবর পেয়ে পুলিশ এলো চুরি হয়ে যাওয়া বাড়িতে। এসেই দেখা বল্টুর সাথে।
পুলিশ বল্টুকে জিঙ্গসা করলেন How does this happened?? বল্টু ভাবলো আমিও একটা ইংরেজি বলি......
তো বল্টু
বলল, কাটিং দ্যা বাঁশের বেড়া, ঢুকিং দ্যা চোর, টেকিং দ্যা জিনিসপত্র, গোয়িং দ্যা ডোড়!!
পুলিশ বলল What is বাঁশের বেড়া? বল্টু বলল লিটিল ব্যম্রু খাড়া খাড়া,তার উপর পেরাক মারা ! ইট ইজ দ্যা বাঁশের বেড়া!!!
পুলিশ বেহুশ!!!

29/10/2019

দুই ছাত্র মারামারি করছে-
শিক্ষক :এই তোরা মারামারি করছিস কেনো?
১ম ছাত্র :স্যার, ও আমার গার্লফ্রেন্ডকে কিস করেছে!
শিক্ষক : তোর গার্লফ্রেন্ডটা কে??
১ম ছাত্র :আপনার মেয়ে!
শিক্ষক : থামলি কেন? মার শালাকে!!!

03/10/2019

Address

Gopalganj

Telephone

+8801723276669

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Happy joks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Happy joks:

Share